ইসলামের পথে মানুষকে ডাকতে হলে, ইসলামের জ্ঞান অর্জন খুবই প্রয়োজন। আমাদের পর্ব গুলো সেই জ্ঞানের আলোকে সাজানো হয়েছে। যাতে করে ইসলাম বা সত্য ধর্ম প্রচার হয়।
হিন্দু ভাইয়ের কাছে প্রশ্নঃ
ভাই যে মূর্তিগুলার কোন ক্ষমতা নেই, সে কিভাবে আপনার সৃষ্টিকর্তা হতে পারে? যা কি না আপনারা সৃষ্টি করলেন সে কি ভাবে আপনাদের খোদা/রব/সৃষ্টিকর্তা হতে পারে? ভেবেছেন কি কখনও…? এই ভুল ধর্মের উপর বিশ্বাস রেখে মৃত্যু হলে চিরস্থায়ী জাহান্নামে যেতে হবে। তাই আপনার ভালোর জন্য বলছি। এসব মূর্তিপুজা বাদ দিন… ইসলামে আসুন। কারণ ইসলামেই সব আদশ্য/সৎ/ভালো বিষয়! সব ধর্মের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন? (ভুল হলে ক্ষমা করবেন.. আমি আপনাকে কষ্টো দেওয়ার জন্য বিলিনি। আপনার ভালোর জন্যই বললাম। আমি চাইনা কেউ চিরস্থায়ী জাহান্নামে থাকুক, তাই বললাম) এখন সত্য জেনে মেনে নিবেন না কি মিথ্যার সাথে থেকে জাহান্নামে যাবেন, তা আপনার বিষয়। সব শেষে একটা কথা বলবো -ইসলাম সত্য ধর্ম!!! [ধন্যবাদ]
হিন্দু ভাইয়ের মন্তব্যঃ
নাম: Sushanta Roy
আপনি কি দল ভারি করতে চাইছেন? যে কয়জন মুসলিম আছে এদের ভয়ে সারা বিশ্ববাসী এখন আতঙ্কিত ,আপনাদের সাথে হিন্দুরা ও যদি যোগ হয় তাহলে কেয়ামত আসতে আর সময় লাগবেনা।
ইসলাম ধর্মের প্রচারক নবী (সঃ) বলছেন ধর্ম নিয়ে বাড়া বাড়ি করিওনা ,যার ধর্ম তার কাছে বড়। আপনি বোধহয় নবীর চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও ধার্মিক। নিজের ধর্ম পালন করুন ।
মন্তব্যের উওরঃ
Sushanta Roy ভাই মুসলিমরা কোন জঙ্গি নয় যে, আমাদের ভয়ে সারা বিশ্ববাসী আতঙ্কিত হবে। আর হ্যাঁ এটা ভাববেন না যে- হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ না করলে কেয়ামত হবে না। কারণ আল্লাহর ধর্ম কারোর জন্য বসে থাকেনা। (বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে পরিক্ষা করেন)
এবার চলুন আপনার কথায়, রাসূল (সঃ) বলেছেন: ধর্ম নিয়ে বাড়া বাড়ি করিওনা ,যার ধর্ম তার কাছে বড়। (এখন কথা হচ্ছে আপনি কি এ বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করেছেন, কথাটার গভিরতা কতটুকু। এই কথার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে- কাউকে জোর করে ইসলাম গ্রহনে চাপ দেওয়া বা ভয় দেখিয়ে ইসলাম গ্রহণ করানো যাবে না। কারণ ইসলাম সাধারণ কোন ধর্ম না।) এখানে দাওয়াহ দেওয়া যাবে না, তা বলা হয়নি। যদি তাই হতো তাহলে রাসূল (সঃ) মানুষকে ইসলামের পথে দাওয়াত দিতেন না।
আল্লাহ তায়ালা পবিএ কোরআনে বলেছেন- সেই ব্যক্তির থেকে উত্তম আর কে হতে পারে, যে আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকে।
আরেকটা বিষয় আপনি বললেন: আমি বোধহয় নবীর চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও ধার্মিক। ভাই রাসূল (সঃ) এর থেকে বুদ্ধিমান, শিক্ষক, নেতা বা ধার্মিক আর কে হতে পারে। ইসকাম এসেছে তার মাধ্যমে। আল্লাহ তায়ালা তার মাধ্যমে ইসলাম মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিএ কোরআনে বলেছেন- তোমরা আমাকে পেতে রাসূল (সঃ) কে অনুসরণ করো। তার দেখানো পথে চলো। কথাটা কেন বলা হয়েছে, একবার ভেবেছেন কি কখনও? আর রাসূল (সঃ) কি মানুষকে সত্যের পথে ডাকেনি? ডেকেছে। ভাই আগে ইসলামকে বুঝুন তারপর সত্য বুঝতে পারবেন। আমি শুধু মাএ তাকে অনুসরন করছি। আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকছি। ইসলাম গ্রহণে কোন জোর করছি না।
আপনি যদি ভারতের দিকে লক্ষ করেন, দেখতে পাবেন সাধারণ মুসলিমকে জোর করে ইসলাম গ্রহণে মাধ্য করা হচ্ছে… বিভিন্ন কথা বলে হচ্ছে যা ইসলাম কখনও মানে না। আবার আপনি বলছেন আমি রাসূল (সঃ) থেকে বেশি ধার্মিক! শোনের ভাই রাসুল (সঃ) আমার মুসলিম ভাই। আমাদের ধর্ম এক। মুসলিমরা সবাই ভাই ভাই,, বুঝতে পেরেছেন? তবে একটা বিষয় খুবই ভালো লাগলো- আপনি রাসূল (সঃ) কে সত্যি চিনতে পেরেছেন। আমি আপনাকে বলবো, তাকে নিয়ে আরো পড়াশোনা করুন, ধর্মি নিয়ে পড়াশোনা করুন, তখন দেখবেন ইসলামই সত্য। কেন আপনারা কি দেখেন না- ফেরাউনের অবস্থা, আপনারা কি দেখেন না- মৃতো সাগরের অবস্থা!
মহান আল্লাহ্ তায়ালা পবিএ কোরআনে বলেন: আয়াত৪৯ . তুমি বলে দাও, আমি তাে আমার নিজের জন্যও কোন উপকার বা ক্ষতির অধিকারী নই। কিন্ত যতটুকু আল্লাহ্ চান; প্রত্যেক উম্মতের ( আযাবের ) জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় আছে ; যখন তাদের সেই নির্দিষ্ট সময় এসে পৌছে , তখন তারা এক মুহুর্ত না পশ্চাদপদ হতে পারবে, আর না অগ্রসর হতে পারবে।
৫০. তুমি বলে দাও , বলাে তাে , যদি তােমাদের উপর আল্লাহর আযাব রাতে বা দিনে এসে পড়ে , তাহলে আর কোন জিনিস নিয়ে নাফরমান লােকেরা তাড়াহুড়া করবে ।
৫১. তাহলে কি তােমরা আযাব সংঘটিত হয়ে যাবার পর তার প্রতি বিশ্বাস করবে? ১(বলা হবে) হ্যাঁ এখন মানলে , অথচ তােমরা এর জন্য তাড়াহুড় করছিলে।
৫২. অতঃপর জালেমদের বলা হবে , তােমরা চিরস্থায়ী শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করতে থাকো, তোমরা তো তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল পাচ্ছো।
৫৩. তারা তোমাকে জিজ্ঞেস করে, তা (শাস্তি) কি যথার্থ বিষয়?' তুমি বলে দাও, হ্যাঁ, আমার রবের কসম তা নিশ্চয় সত্য; আর তোমরা কিছুতেই আল্লাহকে অপারগ করতে পারবে না।
৫৪. আর যদি প্রত্যেক গোনাহগারের কাছে এ পরিমাণ ( মাল ) থাকে , যা সমগ্র পৃথিবীর সমপরিমান হয়ে যায়, তাহলে সে তা দানকরেও নিজের প্রাণ রক্ষা করতে উদ্যত হবে , এবং যখন তারা আযাব দেখতে পাবে, তখন গোপনে গোপনে অনুতাপ করবে। আর তাদের ফয়সালা করা হবে ন্যায়ভাবে এবং তাদের প্রতি অবিচার করা হবে না।
৫৫. স্মরণ রেখাে, আসমানসমূহে এবং জমিনে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর জন্য; স্মরণ রেখাে, আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য, কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই জানেনা।
৫৬. তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু ঘটান , আর তােমরা সবাই তারই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
সুরা-ইউনুস আয়াত ৪৯_৫৬
আমাদের এই পোষ্ট কাউকে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। শুধু মাএ সত্যের জন্য! কারণ সত্য সবার জানা প্রয়োজন। আর এই সত্য এক মাএ ইসলাম। সাথে থাকার জন্য সবাইকে, ধন্যবাদ।
No comments:
Post a Comment