ইসলামে আকীদার স্থান সবার উপরে- এ কথা ঠিক। কিন্তু সহীহ আকীদার সাথে সাথে সহীহ আদব-আখলাকও দরকার। আর না হলে সহীহ আকীদাধারী বেয়াদবের পরিমাণ বাড়বে ধীরে ধীরে। ইসলামে আদব-আখলাকের ভূমিকা বলে বুঝাবার দরকার নাই। কিন্তু ইদানিং আমাদের সহীহ আকীদার দাবীদার কিছু ভাইদের মধ্যে আদব-আখলাকের ঘাটতি বেশ চোখে পড়ছে। ফলে বিশুদ্ধ আকীদার মত মহামূল্যবান একটি সম্পদ ধারণ করার পরও তার আলো ছড়াচ্ছে না শুধু আদব-আখলাকের অশুদ্ধতার কারণে।
আকীদা মূলত অন্তরের বিষয় আর আদব-আখলাক-আচরণ বাইরের বিষয়। দুটাই ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ। যারা শিরকবাদী, বিদ'আতী কিংবা ধর্মবিদ্বেষী তারা সহীহ আকীদার কাউকে গালি দিলে কি তাদেরকে উল্টা গালি দেয়া জায়েয হয়ে যায়? কখনো না। কথা বলার আদব, প্রতিবাদের আদব, লেখার আদব- এসব কি শুধু আমরা ওয়াজই করবো? নিজেদের আচরণে ফুটিয়ে তুলবো না? যদি না তুলি তাহলে মানুষ সহীহ আকীদার অনুসারীদের সমালোচনা করবে। আল্লাহর কাছেও আমরা প্রিয় হতে পারবো না। অল্পকিছু ভাইদের জন্য সকল ভাইবোনদের কথা শুনতে হবে।
ইসলামের মাথা আকীদা কিন্তু আদব-আখলাকের গুরুত্ব কোনো অংশেই কম নয়। এমনকি কখনো কখনো আদব-আখলাকের অভাবে সহীহ আকীদাকে গুরুত্বহীন মনে হতে পারে। তাই আমাদের উচিত, সহীহ আকীদা, সহীহ ইবাদাতের পাশাপাশি সহীহ আদব-আখলাক-আচরণের অনুশীলন করা।
No comments:
Post a Comment