ইসলামী গুরু (islami Guru)

"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম"

Tuesday, December 3, 2019

জাতিসংঘের আসল পরিচয় ফাঁস | islamiGuru

আপনি কি ছবিতে থাকা মেয়েটিকে চেনেন? তার ছবিটি ফটোগ্রাফারকে খাবার দেওয়ার জন্য ভাইরাল হয়েছিল, তবে দুর্ভাগ্যক্রমে মুসলিম হওয়ার কারণে কিছুদিন আগে "রাশিয়ার" কাফেররা সিরিয়ার এই শিশু মেয়েটিকে হত্যা করেছে বলে জানি।

ছবি লিংক

মুসলিমদের বিনা কারণে হত্যা করা, এটা কি অশান্তি নয়? জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী কিন্তু সিরিয়া, ফিলিস্তিন বা ইয়েমেনের মত মুসলিম ভূমিতে শান্তি রক্ষার জন্য যায় না। অথচ এই জাতিসংঘই জঙ্গি দমনের নামে বা শান্তিরক্ষার নামে মুজাহিদদের হত্যা করতে যায়। যেখানে মুজাহিদরা আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে সেখানে তারা হাজির। (উদ্দেশ্য শান্তিরক্ষার নামে মুসলিম হত্যা) কিন্তু আফসোসের বিষ�য় হচ্ছে: আজ অনেক মুসলিম দেশের সেনাবাহীনিগুলা জাতিসংঘের এই কুফফার বাহিনীতে যোগ দিচ্ছে (মুসলিমদেরই হত্যা করার জন্য)। জাতিসংঘের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়: বাংলাদেশের অবস্থান দুই নাম্বারে।

গণতন্ত্র/জাতিসংঘ বা যারা এদের পক্ষে কথা বলেন, তাদের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন করতে চাই। উওর দিতে পারবেন কি? আচ্ছা আপনারা যদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় করবেন, তাহলে রাশিয়ান জঙ্গি সরকারের হাত থেকে সিরিয়ার মুসলিমদের কেনো রক্ষা করছেন না? কেনো ইজরাইলের সাথে যুদ্ধো করছেন না? কেনো চীনের উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করছেন না? কেনো কাশ্মীরের মুসলিমদের গণহত্যার আর ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করছেন না? অথচ যেখানে আল্লাহর আইন বাস্তবায়নে মুজাহিদরা জিহাদ পরিচালনা করেছে সেখানে আপনারা হাজির (উদহরণ; আফগানিস্থান)। এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় "শান্তি রক্ষার নামে" আপনারাই চালাচ্ছেন এই গণহত্যা। আজ মুসলিমদের কাছে আপনাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে, একমাএ মুনাফিকরাই (গণতন্ত্র, জাতিসংঘ) আপনাদের পক্ষে কথা বলবে। কোন মুসলিম নয়।

মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের সাহায্য সম্পর্কে, মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানি বলেন: “কোনাে মুসলমান যদি কাফেরদের পক্ষ নিয়ে তাদের সাহায্য ও বিজয়ের জন্য মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াই করে, অথবা যুদ্ধে তাদের সহায়তা করে কিংবা যখন কাফের ও মুসলমানদের মধ্যকার যুদ্ধে কাফেরদের সমর্থন জানায়, তবে সে নিশ্চিত কাফের এবং নিকৃষ্টতম কাফের। সে শুধু মুসলমান হত্যায় জড়িত হয়েছে শুধু এটুকু নয়; বরং ইসলামের বিরুদ্ধে হকের শত্রুদের আনুগত্য ও সহায়তা করেছে।” এটা সকলের ঐকমত্যে সুস্পষ্ট কুফর।
(অধ্যায় কতলে মুসলিম, মাআরেফে মাদানি, মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানি, সংকলন ও বিন্যাস: মুফতি আব্দুশ শাকুর তিরমিজি)

ইসলাম ও কুফরের এই লড়াইয়ে “যে বা যারা কাফেরদের পক্ষ অবলম্বন করবে, (অস্ত্র, শক্তি, ঘাটি, সম্পদ অথবা সমর্থন) জুগিয়ে মুসলমানদের হত্যা বা গ্রেফতারে কাফেরদের সাহায্য করবে, বা যেকোনাে ভাবে এ যুদ্ধে কাফেরদের পক্ষ নেবে, সে কাফের ও মুরতাদ বলে বিবেচিত হবে। মারা গেলে তার জানাযা পড়া যাবে না, মুসলমানদের কবরস্থানে দাফনও করা যাবে না।”

(বিষয়গুলা মনে থাকবে তো?) সাবধান মুসলিম।

No comments:

Post a Comment